masbdinstitute

Feel free to call or sms me…

+880 1718406785

ফটোশপ টুলস পরিচিতি এবং বিস্তারিত

Q: ফটোশপ টুলস বক্স পরিচিতি

টুলস বক্সটি ডিফল্ট অবস্থায় এডোবি ফটোশপ স্ক্রিনের বাম প্রান্তে উলম্বভাবে (কলাম আকারে) থাকে। এই টুল বক্সটি দ্বারাই ফটোশপের সকল কাজ সম্পাদন করা হয়ে থাকে। এ্যাডোবি ফটোশপ সিএস ৬ ভার্স্‌ন এর টুলস বক্সে ২৬টি আইকোন আছে এবং এর অধিনে প্রায় ৬৪টি সাব-আইকোন আছে যা ফটোশপের ডিজাইনকে প্রাণবন্ত করে তুলতে সহায়তা করে।

ফটোশপ টুলস পরিচিতি

Introducing Photoshop Toolbox

Q: ফটোশপ টুলস বক্সের ৬৪টি সবা আইকোন পরিচিতি:

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: টুলস বক্সে ২৬টি আইকোন আছে এবং প্রতিটি আইকোনে-এর উপরে মাউসের রাইট ক্লিক করলে সব মিলিয়ে প্রায় ৬৪টি সাব-আইকোন পাওয়া যায়। ফটোশপের ডিজাইনকে প্রাণবন্ত করে তুলতে  এ সমস্ত আইকোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নিম্নে প্রতি আইকোন সম্পকে সংক্ষেপে করা হলো:-

Q: ফটোশপ টুলস বক্সের ৬৪টি সfব আইকোন পরিচিতি।

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: টুলস বক্সে ২৬টি আইকোন আছে এবং প্রতিটি আইকোনে-এর উপরে মাউসের রাইট ক্লিক করলে সব মিলিয়ে প্রায় ৬৪টি সাব-আইকোন ‍ পাওয়া যায়। ফটোশপের ডিজাইনকে প্রাণবন্ত করে তুলতে  এ সমস্ত আইকোন গুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নিম্নে প্রতি আইকোন-্এর ব্যবহার সম্পর্কে  আলোচনা করা হলো:-

1 No Tool: Rectangular Marquee Tool [M]

Marquee Tool চার প্রকার:

  1. Rectangular Marquee Tool:এটি দিয়ে আপনি চার কোনা আকারে ছবি নির্বাচন করতে পারেন। সাধারনত ড্র্যাগ করে নির্বাচন করা যাবে। আর যদি আপনি শিফট ধরে ড্র্যাগ করেন তাহলে বর্গাকারে নির্বাচন হবে।
  2. Elliptical Marquee Tool:এটি দিয়ে বৃত্তাকারে ছবিকে নির্বাচন করা যায়। নরমালি ড্র্যাগ করে নির্বাচন করা যাবে। আর যদি শিফট ধরে ড্র্যাগ করেন, তাহলে বর্গাকারে নির্বাচন হবে।
  3. Single Row Marquee Tool: এটি দিয়ে লেয়ার/ছবিতে Row (Horizontal) আকারে দাগ নির্বাচন করতে পারবেন।
  4. Single Column Marquee Tool:এটি দিয়ে লেয়ার/ছবিতে Column (Vertical) আকারে দাগ নির্বাচন করতে পারবেন।

বিঃদ্রঃ ডি-সিলেক্ট (Deselect): কোন একটি অংশকে সিলেক্ট করার পর কাজ শেষে সেই সিলেশনটি উঠিয়ে দেয়ার প্রয়োজন হলে, সর্ব প্রথমে মুভ টুল এক্টিভ করতে হবে। এরপর ডি-সিলেক্ট করার জন্য মেনুবারের Select>Deselect এ ক্লিক করুন। অথবা কিবোড হতে Ctrl+D Press করুন।

2 No Tool:Move Tool (V)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: এই টুলটির নাম Move Tool, এটি ব্যবহার করে কোন লেয়ারের উপর থাকা কোন ছবি বা সেফ-কে একই লেয়ারের এক স্থান হতে অন্য স্থানে বা অন্য কোন নতুন ফাইল (ট্যাব) স্হানান্তর করা যায়।

নোট: টুলটির বিস্তারিত ব্যবহারিক বিষয়গুলো দেখতে ক্লাশ শিক্ষকের সহায়তা গ্রহণ করুন।

3 No Tool: Lasso Tool (L)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: ছবির বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন করতে এর জুড়ি নেই। Lasso Tool তিন প্রকার …

  1. Lasso Tool: এটিকে একটি পেন্সিল ভাবুন। পেনসিলের মত চাপ দিয়ে যতটুকু আঁকাবেন তারপর ছেড়ে দিলেই ঐ অংশটুকু নির্বাচন হবে।
  2. Polygonal Lasso Tool:প্রথমে এক যায়গায় ক্লিক করে নিয়ে বিভিন্ন পয়েন্ট তৈরির মাধ্যমে ছবির বিভিন্ন অংশ নির্বাচন করা যায়।
  3. Magnetic Lasso Tool:এই টুলটির মাধ্যমে যে কোন ধরণের ছবি বা সেফ সিলিক্ট করতে তেমন একটা পরিশ্রম হয় না। ছবির যে কোন একটি জায়গাতে ক্লিক করে টারগেম মত মাউস মুভ করতে থাকলে অটো সিলেক্ট হতে থাকে।

4 No Tool:Quick Selection Tool (W)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: Quick Selection টুলের দুটি সাব-টুল রয়েছে:

  1. Quick Selection Tool: এই টুলটির সাহায্যে কোন ছবি বা সেফকে দ্রুত একটি সিলেক্ট করা যায় (তবে ফটোশপের পূর্বের ভার্সনে এই টুলটি পাওয়া যায় না)।
  2. Magic Wand Tool: এই টুলটির সাহায্যে কোন বা সেফ-এর মধ্যেকার কালারকে এক ক্লিকেই সহজে সিলেক্ট করা যায়। এছাড়া Shift key চেপে ধরে Magic Tool দিয়ে একই কালার গুলোর উপরে ক্লিক করলে সেগুলো সিলেক্ট হয়ে যাবে।

5 No Tool: Crop Tool (C)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: Crop টুলের ৪টি সাব-টুল রয়েছে:

  1. Crop Tool: ক্রপ টুল ব্যবহার করে ইমেজের অতিরিক্ত অংশকে কেটে আলাদা করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  2. Perspective Crop Tool: এই টুলটি সাহায্যে কোন প্রকার বাঁকা ছবিকে খুব সহজে সোজা করা যায়।
  3. Slice Tool: স্লাইস এই টুলটির ব্যবহার অত্যন্ত চমৎকার। কোন একটি ওয়েব এর স্ক্রীনসট নেয়ার পর বা একটি ছবিতে মাল্টিপুল ইমেজ বা লোগে থাকলে সেগুলোকে স্লাইস টুল দ্বারা সিলেক্ট করে সিলেক্টকৃত প্রতিটি ছবি বা লোগো গুলোকে আলাদা করে একটি ফোল্ডারে সেভ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় (পদ্ধতি: ছবি বা লোগো গুলোকে স্লাইস টুল দ্বারা সিলেক্ট করে File>Save for web> Type file name> save click> again save click)
  4. Slice Select Tool: স্লাইস সিলেক্ট টুল ব্যবহার করে পূর্বের স্লাইস করা ছবি বা লোগো গুলোর উপর পূনরায় ক্লিক করলে উক্ত ছবি বা লোগো গুলো সিলেক্ট হবে ফলে সিলেক্টকৃত অংশে মাউস পয়েন্টর ধরে পূনরায় স্লাইস করা অংশ ছোট বা বড় করা যাবে।

6 No Tool: Eyedropper Tool (I)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: আই ড্রপ টুলের ৬টি সাব-টুল রয়েছে, তবে এখানে সবকটি টুলের মধ্যে Eyedropper Tool, Color Sampler Tool, Ruler Tool, Note Tool এবং Count Tool. এর ব্যবহার দেখা যায়, বিশেষ করে Eyedropper Tool টির ব্যবহার  সব চাইতে বেশী করা হয়।

  1. Eyedropper Tool: এ টুলের সাহায্যে ইমেজের যে কোন অংশের রং এ ক্লিক করে Color নির্বাচনসহ উক্ত Color দিয়ে Foreground/ Background Color তৈরী করা যায়।
  2. 3D Material Eyedropper Tool: এই টুলের সাহায্যে 3D কোন ডিজাইন তৈরী করে ফন্ট সাইডের সেই রং বা ডিজাইনকে অপর দিকে (অর্থাৎ Top, Bottom, Left এবং Right) সংযোজন করা যায়।

পদ্ধতি:

(i) প্রথমে ডিজাইনকৃত একটি ফাইল ওপেন করুন (Project File: 3D Material Eyedropper Tool (MAS).

(ii) 3D Menu তে ক্লিক > New Mesh from Layer > Mesh Preset > Cube-এ ক্লিক.

(iii) Move Tool-এ ক্লিক > Rotate the 3D Object I-Con এ ক্লিক, এরপর প্রয়োজন  মত  Rotate করে নিতে হবে।

(iv) 3D Material Eyedropper Tool-এ ক্লিক, এরপর ওপেকৃত ফাইলটির যেদিকে ডিজাইন আছে সেখানে ক্লিক।

(5) Gradient Tool হতে 3D Material Drop Tool-এ ক্লিক,  এরপর 3D ডিজাইনকৃত ফাইলটির Top,Bottom, Left, Right এবং Below সব সাইডে একবার করে ক্লিক করুন।

  1. Color Sampler Tool: এ টুলের সাহায্যে ইমেজের যে কোন অংশে-ক্লিক করলে RGB এবং CMYK Color এর % জানা যায়। অর্থাৎ Color Sampler Tool দিয়ে ইমেজের যে অংশে ক্লিক করা হয়েছে, সেখানে কোন রং কত % ব্যবহার করা হয়েছে তা জানা যায়।
  2. Ruler Tool: এই টুলটি ব্যবহার করে ইমেজের এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত নিয়ে দুই প্রান্তের মধ্যকার কৌনিক দূরত্ব, উচ্চতা এবং প্রশস্ততা ইত্যাদি মাপা যায়।
  3. Note Tool: এই টুল ব্যবহার করে ইমেজের উপর ইমেজ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় মন্তব্য লিখা যায় (মার্কেট প্লেসে কাজ করার ক্ষেত্রে এটুলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে যেমন: বায়ার একটি ছবির বিভিন্ন অংশ মার্ক করে নোট লিখে দিলো, নোটগুলো দেখে আপনাকে সেই মোতাবেক কাজ করতে হবে। কাজ সম্পূর্ণ হলে আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে আপনি আবার নোট লিখে বায়ারকে প্রশ্ন করতে পারেন।)
  4. Count Tool: এই টুল ব্যবহার করে ইমেজের বিভিন্ন পয়েন্টে কাউন্ট মার্ক করা (নাম্বর সেট) যায়।

7 No Tool: Spot Healing Brush Tool (J)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: এই টুলে ৫টি সাব টুল রয়েছে…

  1. Spot Healing Brush Tool: এই টুলটি ব্যবহার ইমেজের যে কোন দাগ বা ক্রটি দূর করা যায়।
  2. Healing Brush Tool: এই টুলটি ব্যবহার করে ইমেজের নষ্ট অংশ রিপেয়ার করা যায়। এছাড়া হিলিং ব্রাশ ‍টুল দিয়ে পেইন্ট ইমেজের টেকচার লাইটিং, ট্রান্সপারেন্সি এবং শেডিং সোর্স ইমেজ দিয়ে এডজ্যাস্ট করা যায়।
  3. Patch Tool: একটি ইমেজের সিলেক্ট করা অংশ রিপেয়ার করার জন্য এ টুলটি ব্যবহার করা হয়।
  4. Content-Aware Move Tool: এই টুলটি ব্যবহার ফেস এর কোন একটি স্পটকে এক স্থান হতে অন্য স্থানে মুভ করে নেয়া যায়।
  5. Red Eye Tool: কখনো কখনো ক্যামেরায় ছবি তোলার সময় ক্যামেরার ফ্ল্যাস দ্বারা সৃষ্ট লাল বার্ণ চোখ থেকে বার্ণ অংশ মুছে দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।

8 No Tool: Brush Tool (B):

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: এই টুলে ৪টি সাব টুল রয়েছে…

  1. Brush Tool: এটি ফটোশপের সবচেয়ে কার্যকরী টুল, ব্যাশ টুল ব্যবহার করে খুব সহজেই ড্রয়িং করা যায়।
  2. Pencil Tool: এই টুলটি ব্যবহার করে মুক্তভাবে কোন ডকুমেন্টর উপর লেখা যায়।
  3. Color Replacement Tool:এক কালারের পরিবর্তে আরেক কালার দেওয়ার জন্য এটি ব্যবহার হয়। কালার প্যালেটে শুধুমাত্র কালার নির্বাচন করে ড্র্যাগ করুন।
  4. Mixer Brush Tool:এই টুল ব্যবহার করে কালারকে বিভিন্ন রং দেওয়া যায়।

9 No Tool: Clone Stamp Tool (S)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: এখানে দুটি টুল আছে…

  1. Clone Stamp Tool:এটির ব্যবহার Healing Brugh Tool এর মতই। একস্থান থেকে কপি করে আরেকস্থানে আনার জন্য উপযুক্ত ব্রাশ। এই টুলটি সক্রিয় করে যেখান থেকে কপি করে আনবেন শুধুমাত্র কিবোর্ড থেকে Alt চাপ দিয়ে ক্লিক করুন। তাহলেই হবে। তারপর যেখানে ড্র্যাগ করবেন সেখানেই কপি হয়ে যাবে।
  2. Pattern Stamp Tool:বিভিন্ন প্যাটার্ন দেওয়ার জন্য এটির ব্যবহার করা সহজ। এটি সক্রিয় করলে ষ্ট্যান্ডার্ড টুলবার থেকে আপনি বিভিন্ন প্যাটার্ন পছন্দ করে ছবিতে প্রয়োগ করতে পারেন।

10 No Tool: History Brush Tool (Y)

এই টুলের অধিনেও দুটি টুল রয়েছে…

  1. History Brush Tool: কোন একটি ছবি এডিট করার পর যদি পূণরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হয় তখন এই ‍টুলটি ব্যবহার করা হয়। এখানে দুটো টুল রয়েছে…
  2. Art History Brush Tool: এই টুলটি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট একটি হিস্টোরি স্টেট বা স্ম্যাপশটকে পেইন্ট করা যায়।

11 No Tool: Eraser Tool (E)

ফটোশপ টুলস পরিচিতি: ফটোশপে ইরেজার গ্রুপ টুল ব্যবহার করে ইমেজের বিভিন্ন অংশ মুছে ফেলা যায়। এতে তিনটি টুল আছে…

  1. Eraser Tool: এটা নির্বাচন করে ড্র্যাগ করে আপনি অপ্রয়োজনীয় অংশ মুছতে পারবেন।
  2. Background Eraser Tool: এর মাধ্যমে আপনার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারে থাকা কোন রং কে শুছে ফেলা যাবে।
  3. Magic Eraser Tool: ব্যাকগ্রাউন্ড ইরেজার টুল আর ম্যাজিক ইরেজার টুলের কাজ একই, শুধুমাত্র একটু প্রার্থক্য হল ব্যাকগ্রাউন্ড ইরেজার টুল দিয়ে ইরেজ করলে টুলটির আকারের স্থানের অংশটুকু ইরেজ হবে। আর এটি দিয়ে ইরেজ করলে যতটুকু এক কালার আছে তার সবটুকুই ইরেজ/ডিলিট হবে।

12 No Tool: Gradient Tool (G)

গ্র্যাডিয়েন্ট হলো বিভিন্ন কালারের সমন্বয়। এখানে দুইটি টুল আছে…

(a) Gradient Tool    এবং       (b) Paint Bucket Tool

(a) Gradient Tool: বাটনে ক্লিক করলে মেনু বারের নিচে একটি অপশন বার প্রদর্শিত হবে, যা দেখতে ডান পার্শ্বের চিত্রের ন্যায়, বর্ণিত ৫টি গ্রেডিয়ান আইকোনের কাজ নিম্নে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করা হলো:

i. Line Gradient Tool বাটনে ক্লিক করে লাইনার গ্রেডিয়েন্ট তৈরী করা যায়।

ii. Radial Gradient Tool বাটনে ক্লিক করে রেডিয়েল গ্রেডিয়েন্ট তৈরী করা যায়।

iii. Angle Gradient Tool বাটনে ক্লিক করে এ্যাংগেল গ্রেডিয়েন্ট তৈরী করা যায়।

iv. Reflected Gradient Tool বাটনে ক্লিক করে রিফ্লেকটেড গ্রেডিয়েন্ট তৈরী করা যায়।

v. Diamond Gradient Tool বাটনে ক্লিক করে ডায়মন্ড গ্রেডিয়েন্ট তৈরী করা যায়।

(b) Paint Bucket Tool (G) Paint Bucket Tool : এ টুলটি সিলেক্ট করে ইমেজের সম্পূর্ণ বা সিলেক্টকৃত অংশকে ফোরগ্রাউন্ড কালার দিয়ে ইচ্ছে মত পেইন্ট করা যায়।

13 No Tool: Blur Tool…

  1. ব্লার টুল (Blur Tool): ব্যবহার করে ইমেজের শক্ত অংশকে কোমল করে ইমেজের বিস্তারিত অবস্থা হ্রাস করে প্রকাশ করা যায়।
  2. শার্পেন টূল (Sharpen Tool): এই টুলটি ব্যবহার করে ইমেজের ঘোলা অংশকে উজ্জ্বল করা যায়।
  3. স্মাজ টূল (Smudge Tool): এই টুলটি ব্যবহার করে ইমেজের যে অংশে ড্র্যাগ করা হবে, সে অংশটিকে পিক্সেল অবস্থায় বের হয়ে প্রান্ত সীমায় ছড়িয়ে যাবে।

14 No Tool: Dodge Tool (O):

অত্যন্ত কার্যকরী টুল। এখানে তিনটি সাব টুল আছে –

  1. Dodge Tool (ডজটুল): এই টুল দিয়ে ছবির ব্রাইটনেস বাড়ানো বা আলো দেওয়া যায়।
  2. Burn Tool:এটার কাজ ঠিক Dodge Tool এর উল্টো। অর্থাৎ এটি দিয়ে ব্রাইটনেস কমানো বা কালো করা হয়। যেমন, চুল কালো করা, চোখের মনি কালো করা, ভ্রু কালো করা ইত্যাদি।
  3. Sponge Tool (স্পঞ্জ টুল):ছবিতে Sponge দেওয়ার জন্য। এখানে দুটো অপশন আছে।

15 No Tool: Pen Tool (P):

ফটোশপের কার্যকরী একটি টুল। এই টুলের সাহায্যে বিভিন্ন ধরণের পাথ তৈরী করা যায়। পেন ‍টুলে ৫টি সাব টুল আছে 

  1. Pen Tool:পেন টুলের সাহায্যে ছবিকে নির্বাচন করা যায়। লেসো টুল দিয়েও ছবি নির্বাচন করতে পারেন। কিন্তু লেসো টুল দিয়ে ছবিনির্বাচন করার পর আনডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায় না। কিন্তু পেন টুলে সহজেই আপনি ধাপে ধাপে করতে পারেন। এতে ছবি নির্বাচন করা একটু কঠিন তবে এতে ছবির মান ভাল হয়।
  2. Free Form Pen Tool:স্বাধীন ভাবে ছবি নির্বাচন করার জন্য।
  3. Add Anchor Point Tool:প্যাথ অ্যাড করার জন্য এটির ব্যবহার। অবশ্য এটি আপনি কিবোর্ড থেকে Shift ধরেও করতে পারেন।
  4. Delete Anchor Point Tool:প্যাথ রিমুভ করার জন্য এটির ব্যবহার। অবশ্য এটি আপনি কিবোর্ড থেকে Alt ধরেও করতে পারেন।
  5. Convert Point Tool:আপনার আকানো সব প্যাথকে একটি প্যাথে কনভার্ট করার জন্য।

16 No Tool: Type Tool (T):

ফটোশপে লেখার জন্য এই টুলটি ব্যবহার করা হয়। টাইপ ‍টুলে ৪টি সাব টুল আছে –

  1. Horizontal Type Tool: এ টুলটি ব্যবহার করে স্বাভাবিক ভাবে টেক্সট টাইপ করা হয়।
  2. Vertical Type Tool: এ টুলটি ব্যবহার করে উলম্বভাবে টেক্সট টাইপ করা হয়।
  3. Horizontal Type Mask Tool: এ টুলটি ব্যবহার করে অনুভূমিভাবে লেখার বর্ডার সিলেক্ট তৈরী করা যায়। টেক্সট টাইপ করা হয়।
  4. Vertical Type Mask Tool: এ টুলটি ব্যবহার করে উলম্বভাবে লেখার বর্ডার সিলেক্ট তৈরী করা যায়।

17 No Tol: Path Selection Tool (A):

এখানে দুটো সাব টুল আছে –

  1. Path Selection Tool: এ টুলটি ব্যবহার করে পাথ কম্পোনেন্ট নির্বাচন করা যায়।
  2. Direct Selection Tool: এ টুল এর সাহায্যে পাথের সেগমেন্ট সিলেক্ট করা যায়।

18 No Tool: Rectangle Tool (U):

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল, এই টুলের অধিনে ৬টি সাব টুল আছে

  1. Rectangle Tool: চতুর্ভূজ অঙ্কনের জন্য এ টুলটি ব্যবহার করা হয়।
  2. Rounded Rectangle Tool: চারকোনা গোলাকৃতি চতুর্ভূজ অঙ্কনের জন্য এ টুলটি ব্যবহার করা হয়।
  3. Ellipse Tool: উপবৃত্ত, বৃত্ত তৈরী করার জন্য এ টুলটি ব্যবহার করা হয়।
  4. Polygon Tool: বহুভূজ অঙ্কণ করার জন্য এ টুলটি ব্যবহার করা হয়
  5. Line Tool: এ টুলটি ব্যবহার করে শেইপ লেয়ার কিংবা লাইন আঁকা যায়।
  6. Custom Shape Tool: এ টুলটিতে ক্লিক করলে অপশন বারের সেইপ ড্রপ ডাউন বাটনে ক্লিক করে যে প্যালেটটি পাওয়া যাবে সেখান থেকে পছন্দ মত সেইপের উপর ক্লিক করে ভিন্ন ভিন্ন সেইপ তৈরী করে যায়।

19 No Tool: Hand Tool (H):

এখানে দুটো সাব টুল আছে –

  1. Hand Tool: হ্যান্ড টুল ব্যবহার করে কোন ইমেজের সাইজ যদি বড় হয়, তাহালে হ্যান্ড টুল ব্যবহার করে ইমেজকে সহজে মুভ করিয়ে বিভিন্ন অংশ প্রদর্শন করা যায়।
  2. 2. Rotate View Tool: এই টুলটি ব্যবহার করে ইমেজকে সব দিকে ইচ্ছামত ঘুরানো যায়।

20 No Tool: Zoom Tool (Z):

Zoom Tool: এই টুলটি ব্যবহার করে ইমেজকে বড় বা ছোট করে দেখা যায়।

21 No Tool: Foreground & Background Color Tool:

  • Foreground Color Tool: এই টুলটিতে যখন যে রং সিলেক্ট থাকে, Alt+Delect দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিলেক্টকৃত অংশে সেই রং সংযোজন হয়ে যায়।
  • Background Color Tool: এই টুলটিতে যখন যে রং সিলেক্ট থাকে, Ctrl+Baclspace দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিলেক্টকৃত অংশে সেই রং সংযোজন হয়ে যায়।

22 No Tool: Switch Foreground and Background Color Tool (X):

Switch Foreground & Background Color Tool (X): এই টুলটিতে ক্লিক করে খুব সহজেই Foreground Color কে Background-এ এবং Background Color কে Foreground Colorএ কনভার্ট করা যায়, শটকার্ট কিবোর্ড কমান্ড হলো X.

23 No Tool: Default Foreground and Background Colors (D):

ফটোশপ ওপেন করলেই আমরা সাধারণত স্ক্রীনে Foreground Color  কালো এবং Background Color   সাদা দেখতে পাই, কিন্তু কাজের সুবিধার্থে কখনো কখনো Foreground & Background Color পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় এবং কালার পরিবর্তনের পর যদি আবার পূর্বে অবস্থায় ফিরে আসোর প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে Default Foreground and Background Colors-এর আইকোনটিতে একবার ক্লিক করলেই পূণরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।

24 No Tool: Change Screen Mode Tool [F]

  • Standard Screen Mode:  Adobe Photoshop CS6 Version টি ওপেন করার পর যে ডিফল্টভাবে যে স্ক্রীনটি দেখা যায় সেটিউ মূলত Standard Screen Mode.
  • Full Screen Mode With Menu Bar: এই অপশনে ক্লিক করলে Work Window Full Screen Mode হবে সাথে স্ক্রীনে মেনুবারসহ দেখা যাবে।
  • Full Screen Mode: এই অপশনে ক্লিক করলে Work Window Full Screen Mode  সহ শুধু মাত্র রোলার বার দেখা যাবে।
error: Content is protected !!